• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

খুলনায় সাংসদসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

মামলাখুলনা : অধ্যক্ষ নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ এনে খুলনা-৬ আসনের (কয়রা-পাইকগাছা) সাংসদ শেখ মো. নূরুল হকসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার কুমিরা মহিলা মহাবিদ্যালয়ের প্রভাষক আব্দুল গফুর মোড়ল বাদী হয়ে পাইকগাছার সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অপর বিবাদীরা হচ্ছেন- খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার আলহাজ সারোয়ার খান ডিগ্রি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক হাবিবুল্লাহ বাহার হাবিব, পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ত্রিদিব কান্তি মন্ডল, নিয়োগ বোর্ডের সদস্য কালিদাস চন্দ্র চন্দ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএস বিভাগের পরিচালক ড. মো. শহীদুল্লাহ, বিএল কলেজের অধ্যক্ষ গুলশান আরা বেগম ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়-গাজীপুরের উপাচার্য।

মামলার বাদী প্রভাষক আব্দুল গফুর মোড়ল অভিযোগ করেন, পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বাদী ওই পদে নিয়োগ পেতে আবেদন করেন। গত ৭ আগস্ট তিনি খুলনার বিএল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে অনুষ্ঠিত নিয়োগ পরীক্ষায়ও হাজির হন। কিন্তু কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় এমপি শেখ নূরুল হক হরিঢালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মোস্তফা ও তার ভাই বিএল কলেজের শিক্ষক হারুন সরদারের মাধ্যমে তার কাছে ২০ লাখ টাকা দাবি করেন। এ কারণে তিনি পরীক্ষা না দিয়েই ফিরে আসেন। পরবর্তীতে বিবাদীরা পরস্পর যোগসাজসে অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে অধ্যক্ষ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। এ কারণেই তিনি মামলা দায়ের করেছেন।

আদালতের বিচারক মো. হাবিবুর রহমান চৌধুরী অভিযোগ আমলে নিয়ে এমপি শেখ মো. নূরুল হক, ত্রিদিব কান্তি মন্ডল ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে এ নিয়োগের ওপর কেন নিষেধাজ্ঞা দেয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে আগামী ৭ দিনের মধ্যে কারণ দর্শাতে বলেছেন। অন্যথায় নিয়োগ অবৈধ ঘোষণা করা হবে বলেও আদালত উল্লেখ করেন।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ